ওঙ্কার ডেস্কঃ জাতীয় ভোটার দিবস নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় কমিশন সাধারণ মানুষকে যেভাবে ব্যাতিব্যস্ত করছে, তাতে ভোটার দিবস পালনের অধিকার কমিশনের নেই, এমনটাই মত বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি জানান, কমিশনের ভোটার দিবস পালন প্রহসন মনে হচ্ছে। কেন্দ্রের ইশারায় যে কমিশন চলছে, তাও মনে করেন মমতা।
মুখ্যমন্ত্রী এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘ভারতের নির্বাচন কমিশন আজ জাতীয় ভোটার দিবস পালন করছে এবং সেটিকে একটি করুণ প্রহসনের মতো দেখাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কথাতেই চলছে কমিশন। তিনি লেখেন, ‘হিজ মাস্টার্স ভয়েস হিসাবে কমিশন এই মুহূর্তে মানুষের ভোটাধিকার লুণ্ঠন করতে ব্যস্ত। তাদের ঔদ্ধত্য হচ্ছে জাতীয় ভোটার দিবস পালন করার— আমি এতে স্তম্ভিত, বিস্মিত, বিচলিত।’
লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথাও স্মরণ করিয়েছেন তিনি। মমতা লেখেন, ‘মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন করার পরিবর্তে এবং বিধি-নিয়ম অনুসারে মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার পরিবর্তে নির্বাচন কমিশন এখন লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির নামে নতুন নতুন অজুহাত তৈরি করে চলেছে। মানুষকে অত্যাচার করা হচ্ছে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে!
সূত্রের খবর, জাতীয় ভোটার দিবস কর্মসূচি পালনের সময় এসআইআর নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে কমিশনও। ভোটার দিবস পালনের বক্তৃতায় এসআইআরে বিএলওদের ভূমিকার প্রশংসা করেন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দিব্যেন্দু দাস। সিপিএমের প্রতিনিধি প্রশ্ন তপলে বলেন, সংবাদমাধ্যমে ১২৬ জন বিএলওর মৃত্যুর খবর আমরা দেখেছি। তাঁদের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করে নীরবতা পালন করা গেল না? তাঁকে সমর্থন জানান তৃণমূল এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও।
পরিস্থিতি সামলাতে সামনে আসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। তিনি বলেন, ‘‘বিএলওদের মৃত্যু নিয়ে আমরা রিপোর্ট চেয়েছিলাম। কোনও রিপোর্ট আসেনি। এমনকি, ময়নাতদন্তের রিপোর্টও পাঠানো হয়নি। সরকারি ভাবে জেলাশাসক এবং পুলিশের এই রিপোর্ট দেওয়ার কাজ। এই বিষয়ে কমিশনকেও বলা রয়েছে।
