ওঙ্কার ডেস্ক: ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১। ভারতের সংসদে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীর সরকার। হাসিনা জমানায় এই বিশেষ দিনটিকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে উদযাপন করত ভারত ও বাংলাদেশ। মূলত শেখ হাসিনার অনুরোধে ২০২১ সাল থেকে বিশেষ এই দিনটিকে উদযাপন করা শুরু হয়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ৬ ডিসেম্বর নয়াদিল্লির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ১০ দিন পর ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনার সঙ্গে যুদ্ধে বিজয় এসেছিল। বাংলাদেশের বর্তমান বিরোধী দল বিএনপি-এর কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়া যদিও এই দিনটিকে ঐতিহাসিক বলেছেন একেবারে ভিন্ন কারণে। তাঁর দাবি, ১৯৯০ সালে তৎকালীন স্বৈরশাসক হুসেন মহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছেছিল। পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন এরশাদ।
২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সে সময় উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, ৬ ডিসেম্বর ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে পালন করার কথা। তার পর থেকেই দিনটি উদযাপন হয়ে আসছিল। কিন্তু ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর পর সেদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী কালীন সরকার চালাচ্ছেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর জমানায়, এই মৈত্রী দিবস পালন করা হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য ভারতের যে অবদান, তা উপেক্ষা করার দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন মহম্মদ ইউনুস।
