নিজস্ব সংবাদদাতা , দক্ষিন চব্বিশ পরগণা : পেটের টানে গুজরাতের পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন বাংলার সেখ পরিবার । সম্প্রতি বাংলাদেশী সন্দেহে গুজরাতে বাঙালীদের উপর পুলিশের অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ। অগত্যা আতঙ্কে বাংলায় ফিরে আসতে হয়। কিন্তু ফেরার পর এ রাজ্যে একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া মেয়ের স্কুলে ভর্তি নিয়ে আতান্তরে পড়েছেন ডায়মন্ড হারবারের ষাটমনীষার সেখ পরিবার। মাইগ্রেশান সার্টিফিকেট না থাকায় কোন স্কুল ভর্তি নিচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের। বাধ্য হয়ে স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবারটি।
তাদের দাবি, এখানকার স্কুলে তাদের একমাত্র মেয়ের পড়াশোনার ব্যবস্থা করুক রাজ্য সরকার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপিকে কটাক্ষ করে সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। তবে বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বছর সাতেক আগে গুজরাতের সংগ্রামপুরা এলাকায় পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন নিয়ামতআলি সেখ ও তার স্ত্রী সাবিনা বিবি। নিয়ামত ট্রেলারিংয়ের কাজ করতেন। স্ত্রী সাবিনা ভাড়া বাড়িতে বসেই জরির কাজ করতেন। সেখানকার একটি স্কুলে পড়াশুনো করতো তাদের একমাত্র মেয়ে বছর সতেরোর সুমাইয়া খাতুন। সম্প্রতি মাধ্যমিক পাশ করে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিল সুমাইয়া। কিন্তু ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধের সংঘর্ষ বিরতির পর আচমকা বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশীদের ধরপাকড় শুরু হয়। অভিযোগ, বাংলাদেশী সন্দেহে বাঙালীদের উপর অত্যাচার শুরু করে সেখানকার পুলিশ। ফলে আতঙ্ক গ্রাস করে বাংলাভাষী এ রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে।
