ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার আগে পুরনো মামলায় ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কংগ্রেসের প্রার্থী জেলে থেকে নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছেন। কিন্তু এই পরিণতির জন্যক তৃণমূল আমলের একটি ভুল সিদ্ধান্তকে দায়ী করলেন মিলনের কাকা সবুজ।
সবুজের দাবি, বাম জমানায় তৃণমূলের বহু কর্মীর বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা করা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই সমস্ত বহু মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল। প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যাযয়কে তিনি এ বিষয়টি নিয়ে অনুরোধ করেছিলেন। পুরনো মামলার নতুন করে গ্রেফতারের আশঙ্কা করেছিলেন তিনি। তাঁর সেই আশঙ্কা সত্যি হল। মুখ্য্মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সবুজের আর্জি, ‘বাম জমানায় শুভেন্দু ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি মুখ্যামন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী। মিথ্যাে মামলাগুলি একমাত্র তিনিই তুলে নিতে পারেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭-এর ৫ জানুয়ারি তৈরি হয়েছিল নন্দীগ্রামের ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। ১৫ জনের কমিটিতে পাঁচ দলের ছিলেন তিন জন করে সদস্যূ। ভাইপো মিলন প্রধানের প্রস্তাবে তাতে নাম লেখান সবুজ প্রধান। সবুজ ২০২০-তে দল ছাড়েন। কিন্তু মিলন সে পথে হাঁটেননি। তিনি বর্তমান প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের দীর্ঘদিনের সঙ্গী। দলের প্রতি এই আনুগত্যে তাঁকে প্রার্থী পদ দিয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকতে হবে মিলনকে। পরিবার সূত্রের খবর, সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর মুক্তির জন্য আবেদন জানানো হতে পারে।