ওঙ্কার ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের পুরনো একটি রায়কে হাতিয়ার করে ধর্মীয় ও ভাষিক সংখ্যালঘুরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে থাকেন। ১১ বছর আগের সেই রায় পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি মনমোহনের। এদিন সংখ্যালঘু সংস্থা পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন শিক্ষার অধিকার আইনের বাইরে থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সর্বোচ্চ আদালত।
১১ বছর আগে ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে বলেছিল ধর্মীয় ও ভাষাগত সংখ্যালঘু সংস্থা শিক্ষার অধিকার আইনের আওতায় থাকবে না। সংবিধানের ৩০ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংখ্যালঘুরা স্বাধীনভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবে। সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সেই সময় ওই নির্দেশ দিয়েছিল। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি মনমোহন সেই রায় পুনর্বিবেচনা জন্য বর্তমান প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়েছেন। দুই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ২০০৯-এর শিক্ষার অধিকার আইনের সঙ্গে সংবিধানের ৩০ (১) অনুচ্ছেদের কোনও সংঘাত নেই। ওই আইন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
উল্লেখ্য, শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তত ২৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে দুস্থদের জন্য। এই আইনের প্রেক্ষিতে সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানগুলির একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হয়। নিজেদেরকে এই আইনের আওতার বাইরে রাখার আবেদন জানান তারা। সুপ্রিম কোর্ট সেই সময় এই দাবি মেনে নিয়ে রায় দিয়েছিল।
