ওঙ্কার ডেস্ক: প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মোন্থা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশের মছলিপত্তনম এবং কলিঙ্গপত্তনমের মাঝামাঝি অঞ্চলে কোথাও আছড়ে পড়তে পারে। ঘন্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়টি আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ হিসেবে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বহু ট্রেন এবং বিমানও।
আবহবিদরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার সকালেই মোন্থা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে ইতিমধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। রেল সূত্রের খবর, যাত্রী সুরক্ষার স্বার্থে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়া, রাজামুন্দ্রে, কাকিনাড়া, বিশাখাপত্তনম এবং ভীমবরম দিয়ে চলার সম্ভাবনা ছিল এমন ৬৫টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার এবং বুধবারের জন্য এই ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশাখাপত্তনম বিমানবন্দরে ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের সমস্ত উড়ান মঙ্গলবার বাতিল রাখা হয়েছে।
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। নামানো হয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীদেরও। অন্য দিকে এই বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে ওড়িশাতেও। সে কারণে সতর্ক সে রাজ্যের সরকার। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চিলকা হ্রদে নৌকা চলাচল বন্ধের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। গঞ্জাম জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১১০টি আশ্রয়কেন্দ্র। ইতিমধ্যে মানুষজনকে সেই আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা শুরু হয়েছে।
