ওঙ্কার ডেস্ক: দেশের স্বনামধন্য চার কৃতীকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রবিবার সকালে রাইসিনা হিলসের তরফে চার জনের নামের কথা জানানো হয়েছে। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, তেমনই রয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম। এ ছাড়া রয়েছেন কেরলের সমাজকর্মী তথা শিক্ষাবিদ শ্রী সদানন্দন মাস্টার এবং ইতিহাসবিদ মীনাক্ষী জৈন।
ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮০ (১) (ক)–এর অধীনে রাজ্যসভায় ১২ জন সদস্য মনোনীত করতে পারেন রাষ্ট্রপতি। আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম জঙ্গি আজমল কাসভের ফাঁসির সাজার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২০১০ সালে আদালত আজমল কাসভকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরে দেশের সর্বোচ্চ আদালতও সেই রায় বহাল রাখে। এমনকি তৎকালীন রাষ্ট্রপতিও কাসভের প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করে দেন।
দীর্ঘদিন কূটনৈতিক এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করার অবদান হিসেবে প্রাক্তন বিদেশসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দার্জিলিং কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল হর্ষবর্ধনের। কিন্তু তা হয়নি। তার এক বছর যেতে না যেতে তাঁকে এবার রাজ্যসভায় পাঠানো হচ্ছে। কেরলের প্রবীণ সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সি সদানন্দন মাস্টার দক্ষিণের রাজ্যে পদ্ম শিবিরের অন্যতম মুখ। ১৯৯৪ সালে রাজনৈতিক হামলার কারণে বাদ যায় তাঁর দু’টি পা। কেরলের ত্রিশূর জেলার প্রখ্যাত এই শিক্ষক সমাজসেবায় অবদান রেখেছেন। অন্য দিকে ইতিহাসবিদ মীনাক্ষী জৈন রাম ও অযোধ্যা নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। ২০২০ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। মধ্যযুগ ও ঔপনিবেশিক ভারতের সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় ইতিহাস নিয়েও তাঁর গবেষণা রয়েছে।
