ওঙ্কার ডেস্ক: প্রমাণের অভাবে ২০০৬ সালের মুম্বইয়ের লোকাল ট্রেনে বিস্ফোরণের ঘটনায় বেকসুর খালাস পেলেন ১২ জন। সোমবার বম্বে হাইকোর্টের এই রায় প্রকাশ্যে আসার পর সরকারের উপর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নিহতের পরিবাররা। ১৯ বছর আগেই ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৮৯ জন নিহত হন এবং ৮২৭ জনের বেশি যাত্রী আহত হয়েছিলেন। ভারতের অন্যতম সুপরিকল্পিত ও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে এই ঘটনাকে বিবেচনা করা হয়।
মুম্বইয়ে ট্রেনে বিস্ফোরণের ফলে নিহত এক জনের পরিবারের সদস্য রমেশ নায়েক আদালতের এই সিদ্ধান্তকে প্রহসন বলে উল্লেখ করেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন ১৯ বছর গেল কেন? উল্লেখ্য, সোমবার বম্বে হাইকোর্ট বিস্ফোরনের ঘটনায় অভিযুক্ত ১২ জনকে বেকসুর খালাস দেয়। বিচারপতি রংনাথ পি ডেসাই ও নরেন্দ্র জে এস রসাল-এর ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, সরকার পক্ষ আদালতে যেসব প্রমাণ হাজির করেছে তা অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করার জন্য উপযুক্ত নয়। আর সে কারণেই ১২ জনকে মুক্তির নির্দেশ দেয় আদালত।
আদালতের এই রায়ের পর বিস্ফোরণে নিহত এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্য রমেশ নায়েক বলেন, ‘সরকারের কাছে জানতে চাই ১৯ বছর কেটে গেল কেন এই সিদ্ধান্তে আসতে? তাঁর প্রশ্ন এঁরা যদি বিস্ফোরণ না ঘটায় তাহলে এই ষড়যন্ত্র কারা করল?’ প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের ১১ জুলাই সন্ধ্যায় সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে মুম্বইয়ের বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেনে সাতটি বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণ গুলো ঘটে মাটুঙ্গা রোড, মাহিম জংশন, বান্দ্রা, খার, জোগেশ্বরী, ভায়ান্দার এবং বোরিভালি স্টেশনের কাছে।
