ওঙ্কার ডেস্ক: রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের পরদিনই প্রকাশ্যে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন হুমায়ুন কবীর। সংবাদমাধ্যমের সামনে কেঁদে ফেললেন তিনি। সেই সঙ্গে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথাও জানান এই বিধায়ক। রেজিনগরের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন। সেই ব্যর্থতার জন্য এলাকার মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হুমায়ুন বলেন, রেজিনগরের মানুষের দেওয়া সম্মান তিনি ধরে রাখতে পারেননি। তাঁর কথায়, ৯৯ শতাংশ মানুষ তাঁকে ভোট দেননি। সেই কারণে তিনি এলাকার মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। তিনি আরও জানান, আগামী দিনে রাজনীতির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করবেন। কয়েক মাস আগে রেজিনগরের মানুষ তাঁকে যে মর্যাদা দিয়ে বিধায়ক করেছিলেন, সেই দায়িত্ব তিনি যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি।
রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও এদিন মন্তব্য করেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী যতদিন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, ততদিন তিনি বিধানসভায় যাবেন না। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণের দাবি জানান তিনি। রেজিনগরকে আগামী দিনে একটি মডেল বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি। তবে রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেও বাবরি মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে আসছেন না বলে স্পষ্ট করেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, তাঁর ট্রাস্টের মাধ্যমেই আইন মেনে ওই মসজিদ নির্মাণ করা হবে।
হুমায়ুনের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট থেকে কোনও স্থগিতাদেশ কিংবা আইনি নিষেধাজ্ঞা না আসা পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ করার ক্ষমতা কারও নেই। পুলিশ বা প্রশাসন বলপ্রয়োগ করে কাজ থামানোর চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করার কথাও বলেন হুমায়ুন। এ ক্ষেত্রে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।