ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ২৬ জুলাই মালদ্বীপের ৬০ তম স্বাধীনতা দিবস। সেদেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। প্রসঙ্গত, গত বছর মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মইজ্জু ভারত বিরোধী কথা বলে সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন। যদিও পরে নিজের সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন মইজ্জু।
সূত্রের খবর, মালদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী দিল্লি এসে গত মাসে সরকারি ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে গিয়েছেন। আমন্ত্রণপত্র সরাসরি মোদীর হাতে তুলে দিয়ে গিয়েছেন তিনি। তার আগে গত বছর মইজ্জু ভারত সফরে এসেছিলেন। সে বারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে মৌখিক ভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত মইজ্জু গত বছর মালদ্বীপের রাষ্র্ পতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। তার পরেই তিনি ভারত বিরোধিতায় সুর চড়ান। এমনকি সে দেশ থেকে ভারতীয় সেনাদের ফেরত পাঠান। মালদ্বীপের বন্দর ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেন তিনি। পাশাপাশি ভারতীয় পণ্যের উপরও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়। কিন্তু সেই সমস্ত সিদ্ধান্তের পিছনে অন্য সমীকরণ কাজ করেছে বলে মত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। অতিরিক্ত চিন-প্রীতির কারণে তখন এমন অবস্থান নিয়েছিলেন মইজ্জু। কিন্তু পরে মোহভঙ্গ হয়। চিনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ শোধ করতে গিয়ে কার্যত নাভিশ্বাস উঠেছে মইজ্জুর দেশের। ভারত সফরে এসে তিনি বিপুল অঙ্কের অনুদানের প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিয়ে গিয়েছেন নয়াদিল্লির কাছ থেকে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, মইজ্জুর অবস্থান বদল বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয়। কারণ ক্ষমতার কুর্সিতে বসার পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বেজিং এর দিকে বেশি ঝুঁকছে ঢাকা। এর ফলে শ্রীলঙ্কার মতো পরিণতি বাংলাদেশের হতে পারে।
