ওঙ্কার ডেস্ক: চিজের দীর্ঘ ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত সুইজারল্যান্ড। দেশটিতে ৪৫০-রও বেশি ধরনের চিজ তৈরি হয়। সেই দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিনের হাতে এবার পৌঁছল ভারতের তিন বিশেষ আর্টিজানাল চিজ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে উপহার হিসেবে দেন ‘গুলমার্গ’, ‘কোনার্ক’ এবং ‘ইয়েওর’। মুম্বইয়ের পুরস্কারজয়ী চিজ প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘ইলেফথেরিয়া চিজ’ এই তিন ধরনের চিজ তৈরি করেছে। ইউরোপীয় চিজ তৈরির ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হলেও প্রতিটিতেই রয়েছে ভারতীয় স্বাদের আলাদা বৈশিষ্ট্য।
‘গুলমার্গ’
ফরাসি ব্রি চিজের ধাঁচে তৈরি হয়েছে ‘গুলমার্গ’। পাস্তুরাইজড গরুর দুধ ব্যবহার করা হয় এই চিজ তৈরিতে। নামের সঙ্গে মিল রেখে এর আকৃতিও হৃদয়ের মতো। চিজটির বাইরের অংশে রয়েছে নরম ও হালকা সাদা ‘ব্লুমি রাইন্ড’। ভিতরের অংশ মসৃণ এবং অত্যন্ত নরম। স্বাদে মাখনের মতো ক্রিমি ভাব রয়েছে। সঙ্গে মেলে মাশরুম ও মাটির গন্ধের হালকা আভাস।
‘কোনার্ক’
‘কোনার্ক’ তৈরি হয়েছে ফরাসি টোম চিজের আদলে। এর বাইরের স্তর কিছুটা রুক্ষ। ভিতরের অংশ অবশ্য নরম ও মসৃণ। স্বাদে রয়েছে হালকা মাটির গন্ধ। চিজটি মিষ্টি নয়। বরং এতে সামান্য টক স্বাদ পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও ‘কোনার্ক’ নজর কেড়েছে। ২০২৩ সালে নরওয়ের ‘ওয়ার্ল্ড চিজ অ্যাওয়ার্ডস’-এ সোনা পেয়েছিল এটি।
‘ইয়েওর’
তিন চিজের মধ্যে সবচেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে ‘ইয়েওর’-এর। সুইস গ্রুয়েরের ধাঁচে তৈরি এই চিজ দীর্ঘ সময় ধরে জারিত করা হয়। প্রায় আট থেকে নয় মাসের জারণ প্রক্রিয়ার পর এটি প্রস্তুত হয়। স্বাদে রয়েছে বাদামের মতো আভাস। পাশাপাশি পাওয়া যায় হালকা মিষ্টি এবং হার্বাল স্বাদ। তবে ভারতীয় বৈশিষ্ট্যই ‘ইয়েওর’-কে আরও স্বতন্ত্র করে তুলেছে। এর রাইন্ডে ব্যবহার করা হয় প্রচুর শুকনো গোলাপের পাপড়ি ও মৌরি।