ওঙ্কার ডেস্ক: বিদেশে পড়াশোনার খরচ কী ভাবে জোগাড় হয়েছিল অভিজিৎ দীপকের? এই নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। এই আবহে নিজেই জবাব দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় সুরাটের সমাজকর্মী অমিত তিওয়ারি এই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এ বিষয়ে জবাব দেওয়ার পাশাপাশি নথিও প্রকাশ করেছেন।
এক সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় দীপকে জানান, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ পেয়েছিলেন। সেই স্কলারশিপের অর্থে বিদেশে পড়াশোনা করেন তিনি। সেই সঙ্গে বাকি খরচ জোগাড় করতে তিনি এডুকেশন লোন নিয়েছিলেন। পড়াশোনা শেষ হলেও সেই ঋণের টাকা এখনও তিনি শোধ করছেন বলে জানিয়েছেন। অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে স্কলারশিপ দিয়েছিল। তা ছাড়াও আমি শিক্ষা ঋণ নিয়েছিলাম। সেগুলি এখন আমি শোধ করছি।’ সেই সঙ্গে বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া স্কলারশিপের নথি দেখান অভিজিৎ।
উল্লেখ্য, গত ১ অগস্ট আরটিআই কর্মী অমিত প্রশ্ন তোলেন, অভিজিৎ দীপকের বাবা মহারাষ্ট্র শিল্পোন্নয়ন নিগমে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কী ভাবে বিদেশে পড়াশোনার খরচ জোগালেন ছেলের? দীপকের বাবার সম্পত্তি নিয়ে তদন্তের দাবি করেন তিনি। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় জিএসটি কর্তৃপক্ষের কাছে ককরোচ জনতা পার্টির নথিভুক্তিকরণ সংক্রান্ত বিষয় এবং তহবিল নিয়ে তদন্তের দাবি জানান তিনি। নিট ইউজি প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে সমাবেশ হয়। গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে শামিল হওয়া বহু ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরও হয়। আইনি লড়াইয়ের জন্য সিজেপি-কে এক কোটি টাকা অর্থসাহায্য করেছিলেন কপিল সিব্বল। যা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।