ওঙ্কার ডেস্ক: পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন স্ত্রী। তাতে আপত্তি জানিয়েছিলেন স্বামী। আর তার জেরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে পথের কাঁটা সরাতে ভাড়াটে খুনিকে দিয়ে স্বামীকে হত্যা করালেন ওই মহিলা। ভাড়াটে খুনিকে স্বামীর অর্জিত টাকা দেওয়া হয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত মহিলা-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্ধ্রপ্রদেশের আনাকাপল্লি জেলার দেভারাপল্লি মণ্ডলের শ্রীরামপুরম গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম ডি আপ্পালা নাইডু। তাঁকে খুন করার জন্য ভাড়াটে খুনিকে সুপারি দেন তাঁর স্ত্রী। স্বামীর উপার্জিত টাকাই তাঁকে দেন তিনি। অভিযোগ, সেই ভাড়াটে খুনি বাড়ির মধ্যে ঢুকে ডি আপ্পালা নাইডুকে গত ১ জুলাই শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুটি ঘিরে রহস্য তৈরি হয়। তবে পরে আরও তদন্ত শুরু হলে পুলিশ জানতে পারে এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তদন্তকারীদের মতে, আপ্পালা নাইডুর স্ত্রী হাইমা এক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তাঁর নাম গঙ্গাধর।
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আপ্পালা নাইডু এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিলেন। তদন্তকারীদের অনুমান এই বিরোধের ফলে তাঁকে হত্যা করা হয়। হাইমা, গঙ্গাধর এবং গঙ্গাধরের ভাইপো নাগাচরণ মিলে আপ্পালা নাইডুকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল বলে অভিযোগ। পুলিশের মতে, এই তিন জন মিলে ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করে। খুনিকে সুপারি হিসেবে প্রায় ১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভাড়াটে খুনিরা আপ্পালা নাইডুর বাড়িতে ঢুকে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে দেভারাপল্লি পুলিশ ৫ জুলাই হাইমা, গঙ্গাধর ও নাগাচরণকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় প্রকাশ ও শাফির নামে আরও দুই সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ।