ওঙ্কার ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে অসমের গুয়াহাটি থেকে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসটিএফ। ধৃতের নাম রীতেশকুমার সিংহ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি বিহারের বেগুসরাইয়ের বাসিন্দা। গুয়াহাটির সাতগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন রীতেশ। সোমবার সেখান থেকেই তাঁকে আটক করা হয়। পরে গ্রেফতার করে এসটিএফ।
তদন্তকারীদের দাবি, দেশের কয়েকটি সংবেদনশীল স্থানের তথ্য পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের কাছে পাঠিয়েছিলেন রীতেশ। তাঁর বিরুদ্ধে সেই অভিযোগেই তদন্ত শুরু হয়। এর আগে গত ৪ অক্টোবর অসম থেকেই অভিষেককুমার সিংহ নামে এক ব্যক্তিকে একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই রীতেশের সন্ধান পাওয়া যায়। অভিষেক গ্রেফতার হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই সাতগাঁও থেকে রীতেশকে পাকড়াও করা হল।
তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অভিষেকের সঙ্গে রীতেশের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। দু’জনে মিলে পাকিস্তানে কোনও তথ্য পাঠিয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। জেরায় দু’জনের পাকিস্তান-যোগের বিষয়টিও জানার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তানে তাঁদের সঙ্গে কারা যোগাযোগ রাখতেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি তামিলনাড়ুর কোয়েম্বটুরের একটি নৌ-প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে চরবৃত্তির অভিযোগে এক নৌসেনাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর নাম প্রদীপ মুখোপাধ্যায়। অন্ধ্রপ্রদেশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সেল তাঁকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ, যৌনতার ফাঁদে পড়ে পাকিস্তানের কাছে নৌবাহিনী সংক্রান্ত তথ্য পাচার করেছিলেন প্রদীপ। ২০১৪ সালে ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পরে বিশাখাপত্তনমে ইস্টার্ন নেভাল কম্যান্ডের অধীনে কর্মরত ছিলেন।