ওঙ্কার ডেস্কঃ রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে উত্তাল দেশ। এবার রাম মন্দিরের পর বদ্রীনাথেও একই অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপরেই বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির এক কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল। বিকেটিসি চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। এর পরেই প্রমোদ নৌটিয়াল নামের এক ব্যক্তিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
বদ্রীনাথে অনুদান চুরি নিয়ে অভিযোগ উঠতেই নড়েচড়ে বসে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি। উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেয় মন্দির কমিটি। বিকেটিসি-র চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার সোহন সিংহ রাঙ্গার জানান, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই কমিটি গঠন করেছেন বিকেটিসির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদী। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। মন্দির চত্বরের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বয়ান সংগ্রহ করবেন কমিটির আধিকারিকেরা।
পুস্কর সিং ধামীর নির্দেশে উত্তরাখণ্ড সরকারও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তিন সদস্যের কমিটির মাথায় বসানো হয়েছে গাড়ওয়াল ডিভিশনের কমিশনারকে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে কমিটি।
চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দির থেকে প্রণামী বাবদ প্রায় ৭০ কোটি টাকা অনুদান এসেছে। পাশাপাশি মন্দিরের গেস্ট হাউস থেকেই বিপুল টাকা আয় হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতি বছর এখান থেকে ৫০ থেকে ৮০ কোটি টাকা আয় হয়।