ওঙ্কার ডেস্ক: নিজের তিন সন্তানকে খুনের দায়ে আদালত তাঁকে কারাদণ্ড দিয়েছিল। ১৫ বছর হাজতবাস সম্পন্ন করে ছাড়া পেয়েছিলেন। এবার গুরুবোনকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, মহিলাকে খুন করে নিজেই চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন অভিযুক্ত। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে।
রিপোর্ট অনুসারে, ছুরিকাঘাতে নিহত মহিলার নাম দুর্গা বাই কুশওয়াহা। ৪৫ বছর বয়স তাঁর। তদন্তে জানা গিয়েছে, মহিলার বুকে নয় বার, পেটে তিনবার এবং ঘাড়ে একবার ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়েছে। দুর্গাকে খুনের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রীতম কুশওয়াহা চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। তার ফলে তাঁরও মৃত্যু হয়েছে। দুর্গা প্রীতমকে ‘গুরু ভাই’ হিসেবে মানতেন। প্রীতম তাঁর তিন সন্তানকে খুনের দায়ে ১৫ বছর কারাদণ্ড শেষে প্রায় এক বছর ধরে দুর্গার বাড়িতেই ছিলেন। পরিবারের মতে, দুর্গা এবং তাঁর পরিবার কয়েক মাস ধরে প্রীতমকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া হত তাদের মধ্যে। সোমবার, যখন দুর্গার স্বামী এবং ছেলে বাড়িতে ছিলেন না, তখন প্রীতম বাড়িতে যান বলে অভিযোগ। কাছাকাছি একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি পরিষ্কার করার অজুহাতে দুর্গাকে সেখানে নিয়ে যায় অভিযুক্ত। একটি ঘরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহিলাকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পর প্রীতম চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
অন্য দিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ফরেনসিক দলও যায় ঘটনাস্থলে। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ।
