ওঙ্কার ডেস্ক: গণধর্ষণের অভিযোগে ফের সংবাদ শিরোনামে উত্তরপ্রদেশ। সে রাজ্যের চিত্রকূট জেলার এক ১৭ বছর বয়সী দলিত কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। অপমান সইতে না পেরে ওই নির্যাতিতা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের দাবি।
নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, চলতি বছরে হোলির দিন তিন স্থানীয় যুবক মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। যে ঘটনায় পুলিশ কোনও সক্রিয় ভূমিকা না নেওয়ায় এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছে নাবালিকা। তবে, পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার পরিবারের তরফে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, তাতে কেবল জোর করে রং মাখানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। চিত্রকূটের পুলিশ সুপার অরুণ কুমার সিং বুধবার জানান, মঙ্গলবারের ঘটনার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, হোলির দিনে জোর করে রং মাখানোর বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতার মা। কিন্তু কোনও আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি। বাবা এবং মা এ বিষয়ে একটি লিখিত বিবৃতিও জমা দিয়েছিলেন।
মেয়েটির মৃত্যুর পর, পরিবারের দায়ের করা নতুন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে গণধর্ষণের তিন জনই নাবালক বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ সুপার বলেন, তদন্ত চলছে। তাঁর আশ্বাস, কোনও পুলিশ আধিকারিকের কর্তব্যে অবহেলা প্রমাণিত হলে সংলিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভয়াবহ এই গণধর্ষণের ঘটনার পর সরব হয়েছেন চিত্রকূট সদরের সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক অনিল প্রধান। তিনি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পুলিশকে আক্রমণ করেছেন। পরিবারটির জন্য আর্থিক সহায়তা, আইনি সুরক্ষা এবং দোষী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ওই বিধায়ক।