ওঙ্কার ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর ঘটনা বিহারের ভোজপুর জেলায়। জুভেনাইল কারেকশন হোম থেকে উদ্ধার হল এক নাবালিকার দেহ। রবিবার সকালে নওয়াদা থানা এলাকার কেজি রোডের ওই সংশোধনাগের এই ঘটনা ঘটেছে। এটি খুন নাকি আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বিষয়টি নিয়ে নওয়াদা থানার আধিকারিক বিপিন বিহারী সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখে কিশোরীর দেহটি ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে। ঐ ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। যেটি ফরেনসিক টিম বাজেয়াপ্ত করেছে।’
তিনি আরও জানান, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে সেই কাজ হবে বলে জানিয়েছেন। ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’ পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে ওই কিশোরী সংশোধনাগারে ছিল। তাকে টাউন থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রেমঘটিত সম্পর্কের কারণে এক কিশোরের সঙ্গে ঘর ছেড়ে পালিয়েছিল ওই কিশোরী। তার সঙ্গী ওই কিশোরকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কিশোরী বাড়ি ফিরতে রাজি না হওয়ায় আদালতের নির্দেশে তাকে অবজারভেশন হোমে রাখা হয়েছিল। সেই সংশোধনাগার থেকেই উদ্ধার হল নাবালিকার দেহ।
প্রাথমিক ভাবে মনে করাহচ্ছে ওই কিশোরী আত্মঘাতী হয়েছে। তবে নেপথ্যে কী কারণ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। হাতের লেখা ওই নাবালিকার কিনা সেটি যাচাই করছেন ফরেনসিক গোয়েন্দারা। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।