ওঙ্কার ডেস্ক: বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল প্রায় ১০০ পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই। গুজরাটের সুরাটে এই ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। যদিও প্রশাসনের দাবি, বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার নির্দেশ তারা দেয়নি। কার নির্দেশে এই পদক্ষেপ করা হল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। সুরাট পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, বাড়ি ভাঙার কোনও নির্দেশ তারা দেয়নি।
রিপোর্ট অনুসারে, গত ৩ জুন কাতারগাম এলাকার নাসিরনগর বস্তিতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। যন্ত্র দানব দিয়ে বাড়িগুলিকে ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নির্দেশে এই ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে। তাঁদের দাবি, ‘অভিযান’ চলাকালীন সেখানে হাজির ছিলেন সুরাট পুরসভার আধিকারিকরা। পুলিশের উপস্থিতিতেই বাড়িগুলি ভাঙা হয়েছে বলেও তাঁদের অভিযোগ। যদিও স্থানীয়দের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সুরাট পুরসভা। পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, বাড়ি ভাঙার কোনও নির্দেশ তারা দেয়নি। আর এর পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, পুরসভা যদি নির্দেশ না দেয়, তাহলে কার নির্দেশে এই উচ্ছেদ অভিযান চলল? এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে তাও স্পষ্ট নয়।
অন্য দিকে মাথা গোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলি। কোথায় তাঁরা আশ্রয় নেবেন তা নিয়ে ভেবে কুল পাচ্ছেন না। বহু মহিলা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কাতারগামের বিধায়ক বিনু মোরাদিয়া বলেন, ‘পুরসভার আধিকারিকরা রাস্তার মাপ নিতে গিয়েছিলেন। বাড়ি ভাঙতে যাননি। সরকারের কোনও নির্দেশ ছিল না। পুরসভার নথিপত্রেও এই অভিযানের কোনও রেকর্ড নেই।’