অরূপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম : উদ্বাস্তু হিন্দুদের কথা মাথায় রেখে ঝাড়গ্রাম শহরের রাজ কলেজ কলোনিতে রবিবার সকালে সিএএ ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। কয়েকদিন ধরেই পূর্ববঙ্গীয় উদ্বাস্তু কমিটি নামে একটি সংস্থা স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপে সিএএ ক্যাম্পের প্রচার চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেই মতো এদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্যান্ডেল খাটিয়ে ক্যাম্প শুরু হলে এলাকাবাসীর বিরক্তি চরমে ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ প্রশাসন। প্যান্ডেল থেকে ক্যাম্পটি সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, প্যান্ডেল থেকে ক্যাম্প সরানোর পরেও স্থানীয় এক বাসিন্দার বাড়ির ভিতরে গোপনে ফের ক্যাম্প চালানো শুরু হয়। এতে উত্তেজনা আরও বাড়ে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসেন ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গৌতম মাহাতো ও ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নবু গোয়ালা। তারা উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশ পৌঁছাতেই ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা ফের পূর্ব বঙ্গীয় উদ্বাস্ত কমিটির সদস্যদের ঘিরে ধরে প্রশ্ন তোলেন, “কিসের ভিত্তিতে এখানে সিএএ ক্যাম্প চালানো হচ্ছে ?” চাপে পড়ে কমিটির তিন সদস্য দাবি করেন, “এটি ক্যাম্প নয়, সাহায্য করার উদ্যোগ।” তবে স্থানীয়রা এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ। পরিস্থিতি যদিও নিয়ন্ত্রণে, তবুও এলাকায় উত্তেজনার পারদ উচ্চেই। এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিলেন ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নবু গোয়ালা। তিনি বলেন বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করছে।
