ওঙ্কার ডেস্ক: ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও বার্তা ফেসবুক থেকে সাময়িক ভাবে সরিয়ে দিয়েছিল মেটা। এই ঘটনায় রুষ্ট হয় কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ফেসবুকের পরিচালক সংস্থা মেটার প্রধান মার্ক জুকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে ভারতে মেটা যে সুরক্ষা কবচ পেয়ে থাকে তা প্রত্যাহার করা হতে পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মোদী সরকার যদি এই সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে দেশে ব্যবসার পাততাড়ি গোটাতে হবে জুকারবার্গকে।
কেন্দ্রের তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, সেফ হারবার ক্লজ কেড়ে নেওয়া হবে মেটার কাছ থেকে। মামলাও দায়ের করা হবে। তিন দিনের মধ্যে যদি জুকারবার্গ ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা না চান, তাহলে কেড়ে নেওয়া হতে পারে এই সুরক্ষা কবচ। কী এই সেফ হারবার ক্লজ? আইটি অ্যাক্টের ৭৯ ধারায় মেটার মতো সংস্থাগুলিকে কিছু রক্ষাকবচ দেয় ভারত সরকার। যার ফলে সমাজ মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের পোস্ট করা কন্টেন্টের আইনি দায় থাকে না কর্তৃপক্ষের। অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা যদি বেআইনি বা আপত্তিকর বিষয়বস্তু পোস্ট করেন, তাহলে সেই আঁচ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছয় না। তবে কেন্দ্র সরকার যদি এই রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নেয়, তাহলে ভারতে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সমাজ মাধ্যম চালানো কঠিন হয়ে পড়বে জুকারবার্গের পক্ষে।
উল্লেখ্য জেন-জিদের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও বার্তা ফেসবুক থেকে গায়েব হওয়ার পর তুমুল বিতর্ক তৈরি হয় দেশে। এই ঘটনায় মেটা ক্ষমা চাইলেও বিষয়টি নিয়ে এখনও শোরগোল চলছে। সোমবার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর নিশিকান্ত দুবে জানান, এমন ঘটনায় মেটার ক্ষমা প্রার্থনা যথেষ্ট নয়, জুকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে।