ওঙ্কার ডেস্ক: ‘ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ বা ডিআরডিও এর তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কয়েক ধাপে প্রাথমিক স্তর থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ের এই পরীক্ষা শেষে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ওই ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়া হবে ভারতীয় সেনার হাতে। মনুষ্যবাহিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের পোশাকি নাম, ‘ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল’ বা এমপিএটিজিএম। ইতিমধ্যে এর কাজে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের খবর, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালেই ওই ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়া হতে পারে সেনার হাতে।
উল্লেখ্য, গত মাসে মার্কিন মুলুক থেকে ট্যাঙ্কবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র জ্যাভলিন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। সেনাবাহিনী ১২টি লঞ্চার এবং ১০৪টি ক্ষেপণাস্ত্র কিনবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিআরডিও-র তৈরি এমপিএটিজিএম বাণিজ্যিক ভাবে তৈরি হলে তা পাল্লা দেবে জ্যাভলিনের সঙ্গে। এক জন মাত্র সেনা এটিকে ব্যবহার করতে পারেন। জ্যাভলিনেও এই সুবিধা রয়েছে। তবে ট্রাইপড এবং ‘কমান্ড লঞ্চ ইউনিট’ বহন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দু’জন ব্যক্তির প্রয়োজন।
সূত্রের খবর, ডিআরডিও এর এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ মিটার থেকে ৪ কিলোমিটার। ৩০ কিলোগ্রাম ওজনের এই ক্ষেপণাস্ত্র সহজে বয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। শত্রুর ট্যাঙ্ককে সহজে চিহ্নিত করতে পারবে এই অস্ত্র। এতে ‘ইনফ্রারেড ভিশন’ রয়েছে। পাল্লার দিক দিয়ে জ্যাভলিনের চেয়ে বেশি দূর অবধি আক্রমণ করতে পারবে। কারণ জ্যাভলিনের পাল্লা আড়াই কিলোমিটারের সামান্য বেশি।
