ওঙ্কার ডেস্ক: জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে উত্তাল দেশ। এই আবহে বিস্ফোরক দাবি করলেঙ্কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সোমবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০০ আধিকারিক তাঁদের সংস্পর্শে রয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁরা গোপনে তথ্য সরবরাহ করছেন বলেও দাবি করেছেন সনিয়াতনয়।
সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী বলেন, “এটা শুনে আপনারা অবাক হবেন… মোদীজি, আমি আপনাকে বলছি, আপনার ২০০ জন আধিকারিক আমাদের সংস্পর্শে আছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইডি, সিবিআই এবং বিদেশ মন্ত্রকে কর্মরত আধিকারিকরা আমাদের তথ্য দিচ্ছেন।’ সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশ্যে মিছিলের ঠিক আগেই কংগ্রেস নেতার এই মন্তব্য সামনে আসায় তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যা খুশি করতে পারেন। সত্য আমাদের পক্ষেই আছে।’
চলমান বিক্ষোভ প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, ‘যতক্ষণ না সংবিধানকে সমুন্নত রাখা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হচ্ছে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক করা হচ্ছে, ততক্ষণ দেশের যুবসমাজ থামবে না। আমরা পিছু হটব না।’ ছাত্রছাত্রী ও সুশীল সমাজের এই বিক্ষোভ আসলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একটিই সম্মিলিত আন্দোলন বলে দাবি করেন তিনি। রাহুল আরও বলেন, ৫০ শতাংশ পুলিশকর্মী জানিয়েছেন, বিরোধীদের পদক্ষেপ “সঠিক এবং আমাদের তা চালিয়ে যাওয়া উচিত”। রাহুল বলেন, ‘ঠিক ৫০ শতাংশ পুলিশ কর্মী আমাদের বলছেন আমরা যা করছি তা সঠিক এবং আমাদের তা চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, আইটিবিপি, সিআরপিএফ ও ভারতের জনগণ একদিকে; আর অন্য দিকে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, অজিত ডোভাল, জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের ৪-৫ জন সদস্য—যারা ‘ভোট চুরি’ ও দেশকে জবরদখল করার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করছেন। আমরা এই বিভাজন আরও বাড়িয়ে তুলছি।’