ওঙ্কার ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশ মাওবাদী মুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অতি বাম সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযানও জোরদার করেছে পুলিশ। এই আবহে ছত্তিসগঢ়ে ২৬ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করলেন। বুধবার মূল স্রোতে ফিরে আসা মাওবাদীদের মধ্যে ১৩ জনের মাথার মিলিত দাম ছিল ৬৫ লক্ষ টাকা।
সুকমার পুলিশ সুপার কিরণ চ্যাভান বলেন, ২৬ জন আত্মসমর্পণকারীর মধ্যে সাত জন নারী ক্যাডার রয়েছেন। পুলিশ ও সিআরপিএফ কর্তাদের সামনে এদিন আত্মসমর্পণ করেন মাওবাদী ক্যাডাররা। তিনি জানান, এদিন যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তারা মাওবাদীদের পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি ব্যাটালিয়নে যুক্ত ছিলেন। দক্ষিণ বস্তার বিভাগ, মাড় বিভাগ এবং অন্ধ্র ওড়িশা সীমান্ত বিভাগে সক্রিয় ছিলেন তাঁরা। ছত্তিসগঢ়ের অবুঝমাড়, সুকমা ও ওড়িশার সীমান্তবর্তী এলাকার বেশ কয়েকটি সহিংস ঘটনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন মূল স্রোতে ফিরে আসা মাওবাদীরা।
মাওবাদীরা যাতে মূল স্রোতে ফিরে আসেন, সে জন্য সরকারের তরফে পুনর্বাসন নীতির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই কর্মসূচি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানান তাঁরা। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে একজন লালি ওরফে মুচাকি আয়তে লাখমু (৩৫)। তাঁর মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, ২০১৭ সালে ওড়িশার কোরাপুটে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন লালি। যাতে ১৪ জন নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি বড় ধরনের সহিংস ঘটনায় জড়িত ছিলেন তিনি। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন চার জন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডার। তাঁরা হলেন-হেমলা লাখমা (৪১), আসমিতা ওরফে কামলু সানি (২০), রামবতী ওরফে পদম যোগী (২১) এবং সুন্দম পালে (২০)— প্রত্যেকের মাথার উপর ৮ লক্ষ টাকা করে ঘোষণা করা হয়েছিল।
