ওঙ্কার ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা পবন খেরা অন্তর্বর্তীকালীন ট্রানজিট জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানিয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দিল। প্রসঙ্গত, এর আগে পবন খেরার অন্তর্বর্তী ট্রানজিট জামিন খারিজ করেছিল শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশের পর আরও একবার সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। জামিনের মেয়াদ মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন পবন।
গত রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রস নেতা পবন খেরা অভিযোগ করেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিণিকি ভুইয়াঁর একাধিক বিদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেন, দুবাইয়েও সম্পত্তি রয়েছে রিণিকির। মার্কিন মুলুকে এক সংস্থায় বিনিয়োগও রয়েছে তাঁর। সেই মন্তব্যের পর শোরগোল পড়ে যায়। রিণিকি মানহানির মামলা করেন পবনের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত মামলায় তেলঙ্গানা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন পবন। গত ১০ এপ্রিল তাঁর সেই আবেদনের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের জন্য ট্রানজিট জামিন মঞ্জুর করে আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় অসম সরকার। সর্বোচ্চ আদালতে অসম সরকারের তরফে বনলা হয়, অসমের আদালতে আর্জি না জানিয়ে তেলঙ্গানার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া অযৌক্তিক। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট তেলঙ্গানা হাই কোর্টের সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়
এদিন পবনের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। সুপ্রিম কোর্টে পবন যুক্তি দেন, তিনি কি দাগি আসামি? এই টুকু সুবিধা তাঁকে কেন দেওয়া হবে না? যদিও সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগাম জামিন চাইতে হলে পবনকে গুয়াহাটি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হবে। শুধু তাই নয়, আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে মামলার তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে। সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী পর্যবেক্ষণ বা মন্তব্য গুয়াহাটি হাইকোর্টকে প্রভাবিত করবে না।