ওঙ্কার ডেস্ক: দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। তাঁর অপসারণের দাবিতে এককাট্টা হয়েছে ইন্ডিয়া জোট। মঙ্গলবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের এবং বিজেপি বিরোধী দলগুলির প্রায় ৩০০ সাংসদ নির্বাচন সদন অভিযানে নামে। যে অভিযান ঘিরে কার্যত দুর্গের চেহারা নেয় জ্ঞানেশ কুমারের কার্যালয়।
মঙ্গলবার সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন সদনের দিকে মিছিল করে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত এবং জ্ঞানেশ কুমারকে এক বন্ধনীতে ফেলে আক্রমণ শানালেন রাহুল গান্ধী। এ দিন বিরোধীদের নির্বাচন সদন অভিযান ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে ভাবে আকাশবাণী অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেছেন রাহুল, তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। শাসকদলের খোঁচা, রাহুলকে রাজনীতিতে আরও একবার ‘লঞ্চ’ করার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। বিজেপির ওই খোঁচা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘আমরা শুধু ওদের মোকাবিলাই করছি না। আমরা ওদের ধ্বংস করে দেব।’
মঙ্গলবার মিছিলে রাহুলের সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও’ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, সুপ্রিয়া সুলে-সহ বিরোধী শিবিরের বহু সাংসদ। নির্বাচন সদনের কাছে নীতি আয়োগের অফিসের সামনে বিরোধী সাংসদদের পুলিশ আটকে দিলে সেখানেই বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরে সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ। সাংবাদিকদের এদিন রাহুল বলেন, ‘আমি এখানে আছি দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য। আমার সঙ্গে আরও ৩০০ জন সাংসদ এখানে এসেছিলেন। তাঁরাও গণতন্ত্রকে বাঁচাতে চান। অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদী, মোহন ভাগবত এবং জ্ঞানেশ কুমার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন।’