ওঙ্কার ডেস্কঃ রাম মন্দিরের চুরির ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। প্রণামী চুরির অন্যতম অভিযুক্ত অবিনাশ শুক্ল সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, মন্দিরে সামান্য বেতনের চাকরি করে কী ভাবে ফুলেফেঁপে উঠেছিলেন অবিনাশ, সেই রহস্য উদ্ঘাটন করেছেন তাঁরা।
তদন্তকারী সূত্রে খবর, মন্দিরে কাজ পাওয়ার পর থেকেই অনেকের আর্থিক অবস্থার আচমকা পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। যাঁদের মাসিক বেতন ছিল ১৪-১৫ হাজারের মধ্যে, তাঁদের বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি কী ভাবে ওই স্বল্প বেতনের মধ্যে সম্ভব হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
সূত্রের খবর, প্রণামী চুরির অন্যতম অভিযুক্ত অবিনাশ মন্দিরের প্রণামী গোনার কাজ পাওয়ার আগে অযোধ্যায় হনুমান গুফার কাছে পানীয় জল বিক্রি করতেন। তিনি প্রতাপগড়ের বাসিন্দা। অযোধ্যায় একটি বাড়িও রয়েছে তাঁর। শনিবার তাঁর একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। জেরায় অবিনাশ পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন, চুরির টাকায় তাঁর ভাইয়ের নামে একটি গাড়ি কেনেন। সেই গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অবিনাশের ১৫ লক্ষ টাকার একটি লেনদেনের হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তিনি ওই নগদ টাকা কয়েক জনের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছিলেন। আবার কয়েক জনকে হাতে হাতে নগদ টাকা দেন বলে অভিযোগ। এই ১৫ লক্ষ টাকার উৎস কী। এর সঙ্গে রামমন্দিরের প্রণামী চুরি যোগ আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্য দিকে, আর এক অভিযুক্ত লবকুশ মিশ্র অযোধ্যার বাণীপুরে গত বছরের অক্টোবরে ১০০০ বর্গফুটের একটি জমি কেনেন। তদন্তকারী সূত্রের খবর, ওই জমির রেজিস্ট্রি মূল্য ৮.৮ লক্ষ টাকা দেখানো হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় ওই একই মাপের জমির দাম ২৪-২৫ লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যেই লবকুশের স্ত্রীকে অযোধ্যা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তরফে নোটিস পাঠিয়ে ওই জমির নথি দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।