ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধরি। বুধবার সে রাজ্যের ২১তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সম্রাট। তাঁর শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিহারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে নীতীশ অধ্যায়ের অবসান হল। এই প্রথম বিহারে বিজেপির সরকার গঠিত হল।
বুধবার বিহারের লোক ভবনে রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন (অবসরপ্রাপ্ত) সম্রাট চৌধরিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। এছাড়া জেডি(ইউ)-এর বিজয় কুমার চৌধরি ও বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদবকে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা এবং জোটের সহযোগীরা। উল্লেখ্য, জেডি(ইউ) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন। মঙ্গলবার তাঁর মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। বিদায়ী সরকারে চৌধরি উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। স্বরাষ্ট্র দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দেন সম্রাট। মঙ্গলবার তাঁকে বিধানসভার নেতা নির্বাচন করা হয়। বিহারের ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার ৮৯ জন বিধায়ক বিজেপির।
বিহারের জাতপাত ভিত্তিক জটিল রাজনৈতিক পরিসরে সম্রাটের পদোন্নতি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি প্রভাবশালী কোয়েরি সম্প্রদায়ের নেতা। সম্রাট এই সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা দ্বিতীয় কোনও ব্যক্তি যিনি বিহারের সরররবোচ্চ প্রশাসনিক পদে বসলেন। এর আগে এই গোষ্ঠীর সদস্য সতীশ প্রসাদ সিং ১৯৬৮ সালে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। যদিও তাঁর সরকারের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র পাঁচ দিন। উপমুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বিহারে এমন ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম। সম্রাট চৌধরির আগে উভয় পদে বসতে পেরেছেন ভারতরত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্পূরী ঠাকুর।