ওঙ্কার ডেস্ক: স্ত্রী, সন্তান-সহ ছয় জনকে হত্যা করার পর বাবাকে ফোন করে তেলেঙ্গানার অভিযুক্ত যুবক বলেছিল সে আত্মহত্যা করবে। খুনের ঘটনায় তার খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। অবশেষে তেলেঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলায় তাঁর হদিশ মিলল। তবে জীবিত অবস্থায় নয়, তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পি রাজকুমার নামের ওই যুবক কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা ছিল। গত ১০ জুলাই রঙ্গারেড্ডি জেলায় ছয় জনকে হত্যা করেছিল সসে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান এবং নির্যাতিতা নাবালিকা ও তার পরিবারের দুজন সদস্য। ছজনকে গলা কেটে খুনের পর থেকে পলাতক ছিল অভিযুক্ত। তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ২ লক্ষ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল পুলিশ। শুধু তাই নয় তাকে ধরতে ১২টি দল গঠন করে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল। সোমবার বিকেল ৩টা নাগাদ রঙ্গারেড্ডি জেলার কোথুর মণ্ডলের পেনজারলা গ্রামের কাছে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। এরপরই পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ফিউচার সিটি পুলিশ কমিশনার তরুণ জোশি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তার খোঁজ করছিলাম… ঘটনার দিন সে কী পোশাক পরেছিল এবং শারীরিক গঠন কেমন—সে সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য ছিল। আমরা যাচাই করে দেখেছি এখানে পাওয়া মৃতদেহটি সেই একই ব্যক্তির অর্থাৎ রাজকুমারের।’
তিনি জানান, পুলিশ তার পকেট থেকে একটি মোবাইল ফোন, বাসের টিকিট ও ১,২৬০ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে। তার মৃতদেহের পাশ থেকে আগাছানাশক বিষের একটি বোতল উদ্ধার হয়েছে। ওই পুলিশ কর্তা বলেন, সম্ভবত রাজকুমার আগাছানাশক বিষ পান করেছিল। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি পাঠানো হবে।