ওঙ্কার ডেস্ক: সাত বছর বয়সী এক শিশুকে মাদক খাইয়ে তিন দিনের বেশি সময় ধরে ধর্ষণের অভিযোগ। নারকীয় এই ঘটনা ঘটেছে ওড়িশার পারাদ্বীপে। একটি মুরগির মাংসের দোকানে আদিবাসী সমাজের ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করা হয়। অভিযুক্ত পেশায় কসাই বলে জানা গিয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, অভিযুক্তের নাম রাজা খান (২৪)। কেন্দ্রপাড়ার রাম নগরের বাসিন্দা সে। পারাদ্বীপে নির্যাতিতা যে বস্তিতে থাকত সেই একই বস্তিতে ওই অভিযুক্ত থাকত। রবিবার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তার বাবার সঙ্গে পারাদ্বীপ মডেল পুলিশ এলাকায় বস্তিতে থাকত। তার বাবা প্রায়শই মদ্যপান করে মেয়েকে বাড়িতে একা রেখে বাইরে ঘুরে বেড়াত। নাবালিকা নিজের খাবার জোটানোর জন্য ভিক্ষা করত। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত শিশুটিকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে মাংসের দোকানে নিয়ে যায়। সেখানে নির্যাতিতাকে মাদক মেশানো ঠান্ডা পানীয় পান করায়। এর ফলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে নির্যাতিতা। তাকে দোকানের কেবিনে আটকে রেখে তিন দিন ধরে ধর্ষণ করে।
এদিকে শনিবার মেয়েটি কোনও রকম ভাবে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তার এক বন্ধুকে এই ঘটনার কথা বলে সে। সেই বন্ধুটি বস্তির মহিলাদেরকে জানায় গোটা বিষয়টি। শনিবার সন্ধ্যায় বস্তিবাসীরা কেবিন ঘেরাও করে, দরজা ভেঙে অভিযুক্তকে টেনে বের করে আনে। এরপর তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে উত্তমমধ্যম দেয়। পরে পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেওয়া হয়। নির্যাতিতার বাবা পারাদ্বীপ মডেল থানায় এফআইআর দায়ের করে। তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
