ওঙ্কার ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীর বদনগরের এক গনধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলালা জুড়ে। জানা গিয়েছে ঐ এলাকার একটি খামারে দিনমজুরের কাজ করতেন এক আদিবাসী দম্পতী। বৃহস্পতিবার রাতে বদনগর এলাকায় রাতে হঠাৎ একদল দুষ্কৃতী খামারে ঢুকে লুট করে জিনিসপত্র। পরে ৩০ বছর বয়সী ঐ মহিলাকে তাঁর নাবালক ছেলের মাথায় বন্দুক রেখে তাঁর সামনেই লাগাতার ধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে ৫ জন অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি হামলা করে উদ্ধৃত খামারে। লুট পাট করার পর তাদের নজর পরে কুঁড়ে ঘরে থাকা আদিবাসী পরিবারের উপর। পরিবারের প্রত্যেককে ভয় দেখিয়ে তুলে এনে মারধর করে অভিযুক্তরা। এরপর ঐ মহিলা এবং তাদের ১২ বছরের নাবালক সন্তানকে টেনে নিয়ে যায় এক ঝোপের আড়ালে। সেখানে নাবালকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তাঁর মা কে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয় চিৎকার করলে মেরে ফেলা হবে তাদের একমাত্র সন্তানকে। তারপরই ঐ পাঁচজনে মিলে বারবার ধর্ষণ করে মহিলাকে। সমস্ত দৃশ্য সামনে দেখে গুরতর শোক পেয়েছে নাবালক। শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে সে।
ইতিমধ্যেই থানায় মামলা দায়ের করেছে নির্যাতিতা পরিবার। পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে তদন্তকারী দল। দুষ্কৃতিদের অতসত্ত্বর গ্রেফতার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে।