ওঙ্কার ডেস্ক: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা ইটাহারের বিধায়কের। ক্রমশ মমতা একা হচ্ছেন। আর শক্তিশালী হচ্ছে ঋতব্রতপন্থীদের ‘আসল তৃণমূল’। এবার তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মোশারফ হোসেন। রবিবার নিজের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
ব্যক্তিগত কারণে, মায়ের অসুস্থতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি। কালীঘাটে তাঁর ইস্তফার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে ইটাহারের তৃণমূল বিধায়ক স্বীকার করে নেন, তাঁর সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী শিবিরের যোগাযোগ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং তাঁর নেতৃত্বে ভবিষ্যতে রাজ্যের উন্নয়নকাজ করতে চান, তাও প্রকাশ্যে বলেছেন মোশারফ হোসেন।
নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে শুক্রবার। ওইদিন বিধানসভায় গরহাজির ছিলেন মোশারফ হোসেন। তাতে সন্দেহ উসকে উঠেছিল। মোশারফও মমতা শিবির থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে বিধানসভায় বিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন, তেমনই শোনা যাচ্ছিল।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করে বলেন, ‘‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একসময় আমাদের দলের হয়ে এ জেলার পর্যবেক্ষক ছিলেন। সেইসময় থেকেই ওঁর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। তাছাড়া এলাকার উন্নয়ন করা জরুরি। তবে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে।”