ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিনের তিয়ানজিনে হবে এসসিও-র শীর্ষ সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর চিন সফরের আগে বুধবার ২০ আগস্ট ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-৫’ মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত। এই মিসাইল উৎক্ষেপ চিনকেও বার্তা দিয়েছে বলে মত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
‘অগ্নি-৫’ মিসাইল যে দুরত্ব অতিক্রম করতে পারে তার নাগালে পড়ে প্রতিবেশী চিন এবং পাকিস্তান। আর সে কারণে বেজিং ও ইসলামাবাদের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র ৫,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দুরত্ব অতিক্রম করতে পারে। এশিয়া মহাদেশে চিন ও ভারত দুই মহাশক্তিধর দেশ হিসেবে পরিচিত। যার ফলে নয়াদিল্লি ও বেজিং এর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিযোগিতা চলে। ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষের পর দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। তবে বর্তমানে আবার কাছাকাছি আসছে নয়াদিল্লি ও বেজিং। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের পর চিন ভারত সম্পর্কের সমীকরণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ভারত সফর করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাতে এসসিও সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্র তুলে দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, এসসিও সম্মেলনে চিন-ভারত-রাশিয়া এক মঞ্চে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছর অক্টোবরে রাশিয়ায় ব্রিকস সম্মেলনে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদী-জিনপিং। চলতি আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদী আবার চিন সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বেজিং এর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চলেছে বলে মত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
