ওঙ্কার ডেস্কঃ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আটক করেছে আমেরিকা। তারপর থেকে বিশ্ব রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে। আমেরিকার সামরিক অভিযানে অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানের দিকে প্রচ্ছন্ন বার্তা ছুড়ে দেন ইজরায়েলের বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ। তাঁর হুঁশিয়ারি, ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, ইরানের শাসকদের তা গভীরভাবে লক্ষ্য করা ও বিশ্লেষণ করা উচিত।
কিন্তু কেন এই কূটনৈতিক মন্তব্য! বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি ইঙ্গিত। ট্রাম্প যদি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে শক্তি প্রয়োগ করে সরাতে পারে, তবে আরব দুনিয়াও সেই জায়গায় থাকতেই পারে।
মাদুরোকে অপসারণের ঘটনার আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দেন। যদিও ভেনেজুয়েলা ও ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আলাদা। তবু বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরোর বিরুদ্ধে এই দৃষ্টান্ত ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— ইরানে সরকার যদি বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী পথে যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র খুব কঠোরভাবে আঘাত হানবে। একই বক্তব্য তিনি একাধিকবার পুনরাবৃত্তি করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, ভেনেজুয়েলার মতো করে কি ইরানেও সরকার ফেলতে বা নেতৃত্ব অপসারণের পথে হাঁটতে পারে আমেরিকা!
