ওঙ্কার ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপে বঙ্গ রাজনীতিতে যে ঝড় শুরু হয়েছে তার রেশ এসে পড়ল কলকাতা হাইকোর্টে। তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়াফুল প্রতীক এবং আসল নাম ফ্রিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মমতা পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কমিশন বরাদ্দ করেছে ফুটবল খেলোয়াআড় প্রতীক। আর ঋতব্রত শিবিরের জন্য বরাদ্দ করেছে খাম। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁদের দাবি, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বিগত নির্বাচনী লড়াইয়ে খাম প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। তা সত্ত্বেও আচমকা কেন তাদের কাছ থেকে এই প্রতীক ছিনিয়ে নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দেওয়া হল?
সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে সোমবারই মামলা দায়ের করতে চলেছেন নওশাদ সিদ্দিকিরা। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে মামলাটি দায়ের হবে। আগামী ৬ অক্টোবর, দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আগে প্রতীক ফিরে পেতে আইনের সাহায্য কতটা পাবেন তাঁরা, সেটাই এখন দেখার।
গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়, মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে দুটি পৃথক প্রতীক দেওয়ার। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে ‘খাম’ প্রতীক, যা এতদিন ছিল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের। ২০২১ সাল থেকে তারা এই প্রতীকে নির্বাচনে লড়েছে। আইএসএফের সেই প্রতীক কীভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নওশাদ সিদ্দিকি। সেদিনই তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে কমিশনকে আইনি চিঠি পাঠাবেন। যদিও পরে দুই রাজনৈতিক দলের একই প্রতীক নিয়ে বিভ্রাট মেটাতে কমিশন আইএসএফ এর জন্য ‘আলমারি’ প্রতীক বরাদ্দ করে। কিন্তু ‘খাম’ হাতছাড়া করতে নারাজ নওশাদ। তাই অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।