ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারে নির্বাচনকে মাথায় রেখে আগেই ইস্তেহার প্রকাশ করেছে রাহুল গান্ধী, তেজস্বী যাদবের ইন্ডিয়া জোট। এ বার ইস্তেহার সামনে আনল নীতিশ কুমার, নরেন্দ্র মোদীর এনডিএ জোট। শুক্রবার পাটনায় এই সংকল্প পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে মহিলাদের ক্ষমতায়ন, বেকার যুবক যুবতীদের সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
আগামী ৬ নভেম্বর বিহারে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। ভোটকে মাথায় রেখে শুক্রবার নিজেদের ইস্তেহার প্রকাশ করল নরেন্দ্র মোদী, নীতিশ কুমারের এনডিএ জোট। ইস্তেহার প্রকাশ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এনডিএ জোটের সংকল্প পত্রে ঘোষণা করা হয়েছে তারা ক্ষমতায় এলে বিহারে ১ কোটি মানুষকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজ্যের যুব সম্প্রদায়ের জন্য বিহারের প্রতিটি জেলায় একটি করে ‘মেগা স্কিল সেন্টার’ তৈরি করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেই কেন্দ্রে যুবক যুবতীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর মহিলা কর্মসংস্থান প্রকল্পের মাধ্যমে, মহিলাদের ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এনডিএ সরকার ক্ষমতায় এলে এক কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। যার ফলে মহিলারা বার্ষিক এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করার ক্ষমতা অর্জন করবে। মহিলা উদ্যোগপতিদের কোটিপতি বানানোরও উদ্যোগ নেবে সরকার। সব মিলিয়ে ভোট বৈতরনী পার হতে প্রতিশ্রুতির ঝড় বইয়ে দিয়েছে এনডিএ জোট।
উল্লেখ্য, এর আগে গত মঙ্গলবার ইন্ডিয়া জোটের ইস্তেহারে রাহুল গান্ধী তেজস্বী যাদবরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রতিটি পরিবারের এক জন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। পাশাপাশি জীবিকা দিদিদেরকে সরকারি কর্মচারী হিসেবে স্থায়ী মর্যাদা দেওয়া হবে। এ ছাড়া চুক্তিভিত্তিক সমস্ত কর্মীকে স্থায়ী করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে পুরাতন পেনশন প্রকল্প ফিরিয়ে আনার কথাও ঘোষণা করা হয়। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেছিলেন, মহাজোটই প্রথম তাঁদের মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ ঘোষণা করেছে এবং প্রথমেই তাঁরা ইস্তেহারও প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিহারে কর্মসংস্থানকে মাথায় রেখে রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের এজেন্ডা ঠিক করেছে। তবে যেই জিতুক না কেন, প্রতিশ্রুতি কতটা তারা রক্ষা করবেন, তা অবশ্য সময় বলবে।
