ওঙ্কার ডেস্কঃ বাংলার বাদুড়ের শরীরে নিপা ভাইরাসের অস্বিত্ব নেই। সূত্রের খবর, মোট ৯ টি বাদুড়ের আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছিল। সব রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। আর একটি বাদুড়ের শরীরে অ্যান্টিবডির অস্তিত্ব মিলেছে। অর্থাৎ ওই বাদুড়টি কোনও একটা সময় নিপার বাহক ছিল। বাংলায় নিপা সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কের আবহে এই খবর কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। তবে স্বস্তি মিললেও সতর্কতা অবলম্বন করছে স্বাস্থ্য দফতর।
বাংলার দুই নার্সের শরীরে সংক্রমণের উৎস কোথা থেকে এল তা জানা নেই। সেই সূত্র খুজতেই বাদুড় ধরে সমীক্ষা শুরু হয় বাংলায়। সূত্রের খবর, মধ্যমগ্রামের কলকাতা-বসিরহাট রোড সংলগ্ন কুবেরপুর থেকে মোট ন’টি বাদুড় ধরা হয়। প্রতিটি বাদুড়ের শরীর থেকে তিন রকম সোয়াব নিয়ে আরটিপিসিআর পরীক্ষা হয়। প্রতিটি রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। তবে রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও সমীক্ষা চলবে বলে জানা গিয়েছে।
পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেও রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সজাগ। নিপা অতিমারী রুখতে আগাম প্রস্তুতি হিসাবে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে সোমবার সেমিনারের আয়োজন করে ‘ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার’। পাশাপাশি ওয়ান হেলথ কমিটি গঠন করছে স্বাস্থ্য দফতর। নির্দেশিকা মেনে নিপা আক্রান্ত ব্যক্তির কীভাবে চিকিৎসা হবে, তার বিস্তারিত আলোচনা করেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. অনিতা নন্দী।
