স্পোর্টস রিপোর্টার : পিছিয়েই যাচ্ছে সি এ বি নির্বাচন । সচিব ও যুগ্ম সচিব দুই পদের নির্বাচন থকালেও নানা জটিলতায় বুধবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও শাসক বিরোধী দুই পক্ষে, কোনও তরফেই মনোনয়ন জমা পড়বে না। ফলে সচিব, যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স কাউন্সিল – তিনটি চেয়ার খালি রেখেই চলবে সিএবি।বিশেষ সাধারণ সভার মতো বার্ষিক সাধারণ সভাতেও নির্বাচন না হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। নির্বাচন না হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোঢা কমিটির সুপারিশ নিয়ে ধোঁয়াশা। সত্তোরোর্ধ্ব কোনও ব্যক্তি, বা রাজ্য কিংবা বোর্ডের ক্রিকেট প্রশাসনে ৯ বছর অথবা সম্মিলিতভাবে ১৮ বছর কাটিয়ে ফেললে কেউ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রতিনিধিত্বও করতে পারেন না। পদাধিকারী হওয়া তো দূরস্ত। কিন্তু সিএবি-তে এই নিক্তিতে ‘অযোগ্য’রা পদে বসতে না পারলেও, প্রতিনিধিত্ব করেন। সেটা নিয়েই জট। জুলাই মাসে বিশেষ সাধারণ সভার সময় অন্তত ১৫ জন জেলাশাসক ও ১০টি ক্লাব থেকে চিঠি পাঠিয়ে দাবি করা হয়েছিল, লোঢা আইন মানা হোক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও। যদিও তা না হওয়ায় ও সিএবির জরুরি সাধারণ সভায় এ নিয়ে সমাধানসূত্র না বেরনোয় যুগ্মসচিব পদে নির্বাচন স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। সেই একই কারণে ফের কয়েকজন জেলাশাসক চিঠি দিয়েছেন। তার ফলে ফের ভেস্তে যেতে বসেছে সিএবি নির্বাচন। ২৩ সেপ্টেম্বর সচিব বাবলু কোলের পদের মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে। তার ২ মাসের মধ্যে অর্থাৎ ২৩ নভেম্বরের ভেতর ফের বিশেষ সাধারণ সভা ডাকতে হবে। তখনই তিন পদে নির্বাচন হতে পারে।