সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়, উত্তর ২৪ পরগণা : নদীবক্ষে ভেসে চলেছে থোকা থোকা কচুরীপানা। যা দেখতে মনোরম হলেও নদীপাড়ের বাসিন্দায়ের কাছে বেশ অসুবিধাজনক। ভরা বর্ষায় সেই নদীর অবস্থা রীতিমতো বেহাল। সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে ইছামতী নদী। তাকে ঘিরে ফেলেছে কচুরিপানা। ইছামতী নদীর সাথে জড়িয়ে রয়েছে বহু প্রাচীন ইতিহাস সংস্কৃতি সাহিত্য কাব্যকথা। এই ইছামতী নদী বাংলার কথাসাহিতিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড়োই সাধের। সেই ইছামতী এখন একেবারে বিপর্যস্ত।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার সরুপনগর ব্লকের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের এই ইছামতী নদীর বিপর্যস্ত অবস্থায় রীতিমতো অসহায় স্থানীয় বাসিন্দারা। ২০০ফুট লম্বা ৮ ফুট চওড়া বাশের সেতু গোবিন্দপুর শগুনা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে এই প্তহ দিয়েই। মূলত শারাফুল নির্মাণ ব্লক হাসপাতাল থেকে বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে আসতে গেলে সহজেই এই বাঁশের সেতু দিয়ে যেতে হয়। ভরা কচুরিপানায় বেহাল বাঁশের সাঁকো টলমল করছে, তার মধ্যেই বাইক থেকে অ্যাম্বুলেন্স, চারচাকা গাড়ি -সহ স্থানীয় মানুষজন এই সেতুর উপর দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে বাচ্ছা থেকে বড়ো সকলে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড়সড়ো দুর্ঘটনা।
অন্যদিকে, এলাকার মানুষজন বলছেন, বারবার নদী সংস্কারের কথা বলেও কোনো কাজ হয়নি। এছাড়াও বলেন, কেন্দ্র এ বিষয়ে একেবারে নির্বিকার হয়ে বসে আছে। স্থানীয়রা চাইছেন দ্রুত কংক্রিটের ব্রিজ অন্যদিকে ইছামদী নদীর সংস্কার না হলে কচুরিপানা ঢেকে যাবে বাঁশের সাঁকো যার ফলে বড়োসড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হবে।
সরুপ নগরের ভিডিও বিষ্ণুপদ রায় বলেন, এটা আমাদের এক্তিয়ারেরে মধ্যে নেই জেলা পরিষদ দেখেনা সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে তাও আমি নিরাপত্তার জন্য ৬ জন সিভিক ভলেন্টিয়ারকে রেখেছি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আমাদের কিছু করার নেই।
