ওঙ্কার ডেস্ক: গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর পর ভারতের সেনা বাহিনী অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নয়টি জায়গায় জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এমন বিশাল অভিযানের পরেও ভারতে পাকিস্তান থেকে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে গোয়েন্দা রিপোর্টে।
গোয়েন্দাদের পর্যালোচনা অনুসারে, গত চার মাসে ৭০ থেকে ৮০ জন সন্ত্রাসী ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। উত্তর কাশ্মীরের উরি, কুপওয়ারা এবং গুরেজ এবং জম্মু বিভাগের সাম্বার হীরানগর এবং সুন্দরবানীতে ঐতিহ্যবাহী রুট দিয়ে এই অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ভারতে যে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে তা মেনে নিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীও। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, ‘জম্মুকাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টায় কোনও বিরতি নেই। সন্ত্রাসী কাঠামোতে হামলা সত্ত্বেও, অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা এখনও চলছে।’ সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশের চেষ্টা বৃদ্ধির পিছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযানের কারণে উপত্যকায় জঙ্গি শিবিরে স্থানীয় ভাবে নিয়োগের হার কমে গিয়েছে। যার ফলে পাকিস্তান-ভিত্তিক হ্যান্ডলাররা ‘পরিস্থিতি উত্তপ্ত রাখার’ জন্য সীমান্ত পার করে আরও বিদেশী জঙ্গিদের ঠেলে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য পহেলগাঁও কাণ্ডের পিছনে পাকিস্তানের হাত ছিল বলে অভিযোগ করেছিল ভারত। সেই নারকীয় হামলার পর জম্মুকাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনী জোর তল্লাশি অভিযান শুরু করে। হামলায় জড়িত থাকা তিন জঙ্গিকেই নিকেশ করতে সক্ষম হয় ভারতীয় বাহিনী।
