ওঙ্কার ডেস্ক : গত ৭২ ঘন্টায় “মৌলিক অধিকার অস্বীকার”-এর প্রতিবাদে আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির নেতৃত্বে ব্যাপক বিক্ষোভে উত্তাল পাক-অধিকৃত কাশ্মীর। বাজার দোকানপাট, ব্যবাসিক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ। পরিবহন ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেটও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সরকারের বিরুদ্ধে টানা তৃতীয় দিনের হিংসাত্মক বিক্ষোভে বুধবার ৮ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বাগ জেলার ধীরকোটে রয়েছেন ৪ জন, মুজাফফরাবাদে ২ জন এবং মিরপুরে ২ জন। মঙ্গলবার মুজাফফরাবাদ থেকে আরও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে মোট সংখ্যা ১০ জনে দাঁড়িয়েছে।
দমনপীড়ন সত্ত্বেও মুজাফফরাবাদে বিক্ষোভকারীদের ‘লং মার্চ’ অব্যাহত। তাঁদের ৩৮টি দাবি রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানে বসবাসকারী কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পাক অধিকৃত কাশ্মীর বিধানসভার ১২টি আসন বাতিল করা। এএসি নেতা শওকত নওয়াজ মীর বলেছেন, “৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের জনগণকে বঞ্চিত মৌলিক অধিকারের জন্য… হয় অধিকার প্রদান করুন, নয়তো জনগণের ক্রোধের মুখোমুখি হোন।”
ইতিমধ্যে বিক্ষোভকারীদের দমন করতে রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে অতিরিক্ত ১,০০০ সেনা পাঠানো হয়েছে। পাক সরকার এই অঞ্চলে ইন্টারনেট অ্যাক্সেসও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পাকিস্তানের প্রত্যন্ত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি গ্রামে পাক বিমান বাহিনীর হামলায় ত্রিশ জন নাগরিক নিহত হয়েছে। চিনা যুদ্ধবিমান থেকে এই বিমান হামলা চালানো হয়েছিল।।
