ওঙ্কার ডেস্ক: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া গ্রামে হামলা ছালায় পকিস্তানী বিমান বাহিনী। সেই হামলায় অনন্ত ৩০ জন সাধারন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর। ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার ঐ এলাকায় হামলা চালায় পাক বিমান বাহিনী। সোমবার রাত প্রায় রাত ২ নাগাদ তিরা ভ্যালি এলাকায় মাতিরে দারা গ্রাম লক্ষ করে ৮ টি এলএস-৬ বোম ফেলা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তানি জে এফ-১৭ যুদ্ধবিমান আটটি এলএস-৬ প্রিসিশন গাইডেড বোমা গ্রামে নিক্ষেপ করে। বোমা আঘাতের ফলে গ্রামের বহু ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, তারা সন্দেহ করছেন যে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান, এক সশস্ত্র জঙ্গী গোষ্ঠী গ্রামটি তাদের ঘাঁটিতে ব্যবহার করছিল এবং সম্ভবত বেসামরিকদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে এই আক্রমণকে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অযাচিত আক্রমণ হিসেবে সমালোচনা করা হয়েছে বহু স্তরে।
ঘটনার পর মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা গ্রামে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ও হামলার ন্যায্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। খাইবার পাখতুনখোর প্রদেশে মিলিট্যান্টদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান এবং ড্রোন হামলার ফলে নাগরিকদের ওপর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার পর গ্রামের রাস্তাগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং উদ্ধারকারী দল আহতদের উদ্ধার করতে ব্যস্ত। কিছু বাসিন্দা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য গ্রাম ছেড়ে আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে স্থানান্তরিত হচ্ছেন।
পাকিস্তান সরকার এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
