স্পোর্টস ডেস্ক : দলের দুটো টেস্টে বিপর্যয়ের পরে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর নিয়মরক্ষার শেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামবে পাকিস্তান। তার আগে এদিন পাক দল লন্ডনের ক্ল্যারেন্স যায়। কিন্তু সেখানে দেখা গেল না এক ক্রিকেটারকে। বাবরদের সঙ্গে ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভিও। সেখানে চার্লসকে একটি ব্যাট উপহার দেন বাবর। তাতে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সই ছিল। বেশ কিছু ক্ষণ সেখানে ছিলেন বাবরেরা। চার্লস প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করেন। কথা বলেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড নির্দেশ দিয়েছিল, প্রত্যেক ক্রিকেটারকে হাজির থাকতে হবে রাজার বাড়িতে। যে সাত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁদেরও এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ মেনে সেখানে গিয়েছিলেন মুহম্মদ আওয়েস জ়াফর, আমির জামাল, খুর্রম শাহজ়াদ ও আলি উসমান।
ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে ফিরে গিয়েছেন ইমাম উল হক ও মহম্মদ রিজ়ওয়ান। ফলে তাঁরা সেখানে ছিলেন না। দেশে ফেরায় শাস্তি বাড়তে পারে দুই ক্রিকেটারের। ইমামকে দু’বছর নির্বাসিত করা হতে পারে। ক্রিকেট কেরিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে রিজ়ওয়ানের।এদিকে নকভি দলের বিপর্যয়ে অজুহাত দিতে ব্যস্ত ভারতের উদাহরণও টানলেন তিনি। প্রধান কোচ সরফরাজ় আহমেদের জায়গায় আনা হয় মাইক হেসনকে। বোলিং কোচ উমর গুলের পরিবর্তে দায়িত্ব পান অ্যাশলে নফকে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেন। অভিযোগ ওঠে, দল বদলের আগে নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। পাশাপাশি ইমাম-উল-হকের চোট নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার উদাহরণ টানলেন নকভি। সমালোচনার জবাবে নাকভি বলেন, ‘জ়িম্বাবোয়ের কাছে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরেছে ভারত। তা বলে কি সেখানে সবাই বলেছে ক্রিকেট শেষ হয়ে গিয়েছে? কোনও ক্রিকেটার যদি ধারাবাহিক ভাবে ভালো না খেলেন, তা হলে পরিবর্তন করতেই হবে। আমাদের কাছে প্রতিটি ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ।সলমন আগা দারুণ ক্রিকেটার। কিন্তু এই সময়ে ওর থেকে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স পাওয়া যাচ্ছিল না। কাউকে বাদ দেওয়াই লক্ষ্য নয়। প্রয়োজন হলে পরিবর্তন করা আমাদের দায়িত্ব। এই দু’টি হার কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।নতুন কোচিং স্টাফ আসার পর একদিনের ক্রিকেটে আমরা আট নম্বর থেকে পাঁচ নম্বরে উঠেছি। শেষ ছ’টি সিরিজ়ের মধ্যে চারটি জিতেছি। টি-টোয়েন্টিতে ন’ নম্বর থেকে ছয় নম্বরে এসেছি। জয়ের হারও অনেক বেড়েছে।’