PCOD অথবা PCOS হলো হরমোনের ভারসাম্যজনিত একটি সাধারণ সমস্যা, যা প্রজননক্ষম বয়সের মেয়েদের মধ্যে দেখা যায়। এতে সবার একই লক্ষণ হয় না।
এতে কী কী হতে পারে?
মাসিক অনিয়মিত হওয়া বা অনেক দেরিতে হওয়া
অতিরিক্ত ব্রণ বা ত্বক তৈলাক্ত হওয়া
মুখ/শরীরে অতিরিক্ত লোম
ওজন বেড়ে যাওয়া বা ওজন কমাতে অসুবিধা
মাথার চুল পাতলা হওয়া
ডিম্বস্ফোটন অনিয়মিত হওয়ায় গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে
দীর্ঘদিন মাসিক না হলে জরায়ুর আস্তরণে সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে
কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
PCOD অথবা PCOS সাধারণত একেবারে “একবারে সারিয়ে ফেলার” বিষয় নয়, তবে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
নিয়মিত হাঁটা/ব্যায়াম—সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন, মোটামুটি ৩০–৪৫ মিনিট।
অতিরিক্ত মিষ্টি, চিনিযুক্ত পানীয়, ফাস্ট ফুড ও অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে শাকসবজি, ডাল, ডিম/মাছ/মাংসের মতো প্রোটিন এবং সম্পূর্ণ শস্য বেশি রাখা।
ওজন বেশি থাকলে সামান্য ওজন কমানোও অনেকের মাসিক ও হরমোনের ভারসাম্য উন্নত করতে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।
প্রয়োজন হলে গাইনোকোলজিস্ট ওষুধ দিতে পারেন—যেমন মাসিক নিয়মিত করার ওষুধ, ইনসুলিন-সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে নির্দিষ্ট ওষুধ ইত্যাদি। নিজে থেকে হরমোনের ওষুধ শুরু করবেন না।