ওঙ্কার ডেস্ক: নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে গোটা দেশ জেন জিদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে। যার সূচনা হয়েছিল দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির হাত ধরে। সিজেপির সেই বিক্ষোভের পর শনিবার প্রথম জনসমাবেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর ভাষণে এদিন তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতা ও শক্তির ওপর আস্থা প্রকাশ করেন মোদী। জোর দিয়ে বলেন, ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে এগিয়ে যাওয়ার যাত্রায় তাদেরকে প্রয়োজন দেশের।
নয়াদিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি-র বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছিল শনিবার। সেই অনুষ্ঠানে এদিন ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনাদের ওপর আমাদের আস্থা আছে। দেশের প্রয়োজন আপনাদের।’ মোদী আরও বলেন, প্রতিটি প্রজন্মের ওপরে দায়িত্ব বর্তায়। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন তরুণদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। তাঁর কথায়, ‘আপনারা সবাই জানেন, প্রতিটি প্রজন্মকেই তার সময়ে নির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। নিজস্ব দায়িত্ব পালন করতে হয়… আগামী ৩০ থেকে ৩৫ বছরে আপনারা যা কিছু করবেন, তা ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে আমাদের যাত্রাকে প্রভাবিত করবে। তাই, দেশের লাভ—- আপনাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি হওয়া উচিত, এটি দেশের কোন প্রয়োজন মেটাবে?’
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, বর্তমানে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মতে, যারা এই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেবে, তারাই ‘শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে’। তিনি বলেন, ‘.. বিশ্বজুড়ে কৌশলগত সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে। মূলত প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে বিশ্বশক্তির ভারসাম্য প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে। আগামী ২০ বা ৩০ বছরে বিশ্ব কেমন হবে, তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না… বিশ্ব, প্রযুক্তি, শিল্প এবং পেশা—সবই বিবর্তিত হবে। তবে এসবের মাঝে একটি কথা মনে রাখবেন: যারা প্রতিনিয়ত শিখতে থাকবে, তারাই সফল হবে।’