ওঙ্কার ডেস্কঃ বিজেপিতে ‘নবীন’ যুগ। জেপি নাড্ডার পর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসাবে দায়িত্বগ্রহণ করলেন নিতিন নবীন। মঙ্গলবার সভাপতি হিসেবে শপথ নেন নিতিন নবীন। বিজেপির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সভাপতিকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, ‘‘দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেও বিজেপিতে আমি কার্যকর্তা মাত্র। এখন থেকে নিতিন নবীনই আমার বস্!
মঙ্গলবার রাজধানীতে বিজেপির সদর দফতরে বিদায়ী সভাপতি নাড্ডার হাত থেকে দলের দায়িত্ব নেন নিতিন নবীন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী-সহ বিজেপির শীর্ষস্তরের নেতারা। নিতিন নবীনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, দলকে শক্তিশালী করে তোলার ক্ষেত্রে বিজেপির সমস্ত প্রাক্তন সভাপতিরই অপরিসীম অবদান রয়েছে। লালকৃষ্ণ আডবাণী, অটল বিহারী বাজপেয়ী, মুরলী মনোহর যোশীর নেতৃত্বে বিজেপি শূন্য থেকে উঠেছিল। অমিত শাহের নেতৃত্বে একের পর এক রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। জেপি নাড্ডার সময়েও বিজেপির হাত শক্ত হয়েছে। মোদীর বক্তব্য, এর আগে নিতিন নবীন নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার বড় দায়িত্ব তাঁর হাতে।
মোদী বলেন, ক্ষমতায় থাকলে মানুষের আস্থা কমে যায়। কিন্তু বিজেপির ক্ষেত্রে তা উলটো। গুজরাত, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও বিহারে আগের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। তেলঙ্গানা এবং পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে।
বাংলায় সামনে ভোট। বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি কোমর বেধে কাজ করতে প্রস্তুত। এবারের ভোটে বিজেপির অস্ত্র অনুপ্রবেশ। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রী অনুপ্রবেশ নিয়ে কথা বলেছেন। জানিয়েছেন, ভারতের সমস্যা এখন অনুপ্রবেশ। কঠোর হাতে অনুপ্রবেশ আটকানো হবে। সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই নিতিন নবীনের লক্ষ্য যে বাংলার ভোট হতে চলেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নাকি বাংলার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন নিতিন।
প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন দলের বর্তমান কার্যকরী সভাপতি নিতিন। সূত্রের খবর, সভাপতি পদে নিতিনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন মোদীই।
