কাফের হয়েছো বলে
সপ্তদ্বীপা অধিকারী
রোজ সকালে চোখে এক রঙ লাগে। আলো।
তখন আমি এক প্লেট কবিতা খাই।
মন ভরে।
মরুভূমির তৃষ্ণায় খোয়াব দেখি আর দু চোখে কবিতা পরে নেই। মায়া বাড়ে!
তোমার সমস্ত ভুলগুলো কবিতা দিয়ে সাজালেই সেগুলো কামিনীর সৌরভ মেখে সুগন্ধ ছড়ায়!
আর ধরণীতে নেমে আসে বরষা।
নেমে আসেন বিদ্যাপতি।
“এ সখি হামার দুখের নাহি ওর অ।
এ ভরা বাদর, মাহ ভাদর। শূন্য মন্দির মোর”।
আচমকা একাদশী এলে নিজেকেই টুকরো টুকরো করি। রক্তটুকু দিয়ে আল্পনা আঁকি।
সেই টুকরোগুলো জুড়িনা আর। বিভিন্ন পথ তৈরি করে।
সেসব কোনো পথেই আর নিজেকে খুঁজে পাই না!
শুধু লাল লাল আঁশটে গন্ধ!
আমার আর আমি হয়ে ওঠা হয়না।
শুধু রক্ত দিয়ে লেখার গায়ে নরক দেখি।
ভাঙা কবরে পচা কঙ্কাল। তুমি তখন কাফের হয়েছো বলে আর কবিতা আসে না। মেঘ ঘনায় লাল রক্তে! রক্তে মেঘ ঘনালে আঁশটে আর চিটচিটে গন্ধের ভিতর পড়ে থাকে মৃত মৃত কবিতার লাশ।