ওঙ্কার ডেস্ক: নৃশংস ঘটনা যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশে। যৌতুকের দাবিতে রবিবার উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী জেলার গোপালপুর গ্রামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয় প্রমাণ লোপাটের জন্য মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। আর এই গোটা ঘটনায় অভিযোগের তীর ওই গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দিকে। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত গৃহবধূর নাম রজনী কুমারী। ২১ বছর বয়স তাঁর। রঙপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই মহিলার চলতি বছর এপ্রিল মাসে বিয়ে হয় শচিন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) রাহুল মিঠাস জানান, রজনীর স্বামী-সহ তার ভাই প্রাংশু ও সেহবাগ এবং প্রতিবেশী রামনাথ, দিব্যা এবং টিনা একটি তাঁবু ঘর খোলার জন্য ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেছিলেন। কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ টাকা না দিতে পারায় অভিযুক্তরা তাঁকে নির্মম ভাবে মারধর করে। লাগাতার নির্যাতনের ফলে রজনীর মৃত্যু হয়। শুধু তাই নয়, এরপর অভিযুক্তরা প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে। ওই বধূর মৃতদেহ তাদের জমিতে পুড়িয়ে দেয়।
অন্য দিকে এই ঘটনার পর শোক ও ক্রোধে ফুঁসছে রজনীর পরিবার। ঘটনাটি জানার পর রজনীর মা সুনীতা দেবী পুলিশের দ্বারস্থ হন। শনিবার ওঞ্চা থানায় তিনি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
