ওঙ্কার ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর নতুন কার্যালয় সেবা তীর্থ উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী। স্বাধীনতার পর এই প্রথম ঠিকানা বদল হল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের। বিষয়টিকে ভারতের প্রশাসনিক স্থাপত্যে একটি রূপান্তরমূলক মাইলফলক হিসাবে বর্ণনা করেছে মোদী সরকার। এদিন প্রধানমন্ত্রী ১০০ টাকার একটি স্মারক মুদ্রাও প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার সেবা তীর্থ উদ্বোধনের পর এখান থেকে একাধিক সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদী এদিন কৃষক, মহিলা, যুবক এবং দুর্বল নাগরিকদের সুবিধার্থে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলি অনুমোদন করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্প: এই প্রকল্পে দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসা প্রদান করা হবে। লাখপতি দিদির লক্ষ্য দ্বিগুণ: ২০২৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ৬ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি মূল্য শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করার জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ব্যয় দ্বিগুণ করে ২ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯১১ সালে কলকাতা থেকে দেশের রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তর হয়েছিল। সেখানে রাইসিনা হিলসের উপরে তৈরি হয়েছিল নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক। এত দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সেখানেই ছিল। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, কর্মিবর্গ দফতরও সেখানে ছিল। সন্ধে ৬টায় সেবাতীর্থে এক কর্মসূচিতে বক্তৃতা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। কর্তব্য ভবন ১ ও ২-তে কেন্দ্রীয় অর্থ, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, কর্পোরেট, শিক্ষা, সংস্কৃতির মতো দফতর গুলি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
