ওঙ্কার ডেস্ক: শর্টস পরলে কথা শুনতে হত, ছিল না নিজের কোনও স্বাধীনতা। রাধিকার বাবা দীপক যাদবই তাঁর ২৫ বছর বয়সী মেয়ের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল। এমনটাই অভিযোগ করলেন নিহত টেনিস খেলোয়াড়ের বন্ধু হিমাংশিকা সিং রাজপুত।
সমাজ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছেন হিমাংশিকা। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, রাধিকার বাবা আমার প্রিয় বন্ধুর জীবন নরক করে তুলেছিল। তিনি লিখেছেন, ‘আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু রাধিকাকে তাঁর নিজের বাবাই খুন করেছে। তিনি তাঁকে পাঁচটি গুলি করেছিলেন। চারটি গুলি তাঁর গায়ে লাগে।’ হিমাংশিকা আরও যোগ করেছেন, ‘তিনি বছরের পর বছর ধরে দমনপীড়ন মূলক আচরণ ও অবিরাম সমালোচনা করে রাধিকার জীবন নরক করে তুলেছিল।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত রাধিকার বাবা তাঁর হিংসুটে বন্ধুদের কথা শুনে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। রাধিকা তাঁর টেনিস কেরিয়ারে কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন, এমনকি নিজস্ব অ্যাকাডেমিও তৈরি করেছিলেন।’ হিমাংশিকা জানান, ২০১২-১৩ সালের দিকে রাধিকার সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের শুরু হয়। রাধিকার খুনের পর অনেকে ‘লাভ জিহাদ’ তত্ত্ব তুলে ধরছেন। তবে তাঁর বন্ধু হিমাংশিকা এই বিষয়টি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, রাধিকা খুব কম মানুষের সঙ্গে কথা বলতেন। ও নিজেকে গুটিয়ে রাখতেন বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রাধিকা যাদবকে তাঁর বাবা খুন করেছেন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি জেরায় বাবা দীপক যাদব নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নিজের ফাঁসি দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আর্জি জানিয়েছেন।
